করোনা মুক্তির ফরিয়াদের মধ্য দিয়ে গাংনীতে ঈদ জামাত

আমাদের মেহেরপুর, ছবি, বাংলাদেশ

এম চোখ ডট কম, গাংনী:
করোনা ভাইরাস মহামারিতে ঈদের জামাতে নামাজ আদায়ে ছেদ পড়েছে সারা বিশ্ব। এমন পরিস্থিতির মধ্যে এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ জামাত আয়োজনের অনুমতি দেয় সরকার। ঈদগাহ গুলোতে মুসল্লিদের তাই ভিড় ছিল স্বাভাবিক। তবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে সচেতনতাও ছিল লক্ষ্যনীয়। নামাজ শেষে দো’আ মোনাজাতে ঈমামের মুখে বার বার উঠে আসে করোনা মুক্তির আবেদন। কান্না কন্ঠে আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করা হয়। ঈদগাহে উপস্থিত মুসল্লিদের অনেকে চোখের পানি ফেলে ফরিয়াদে একাত্ব প্রকাশ করেন।
গাংনী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল সাড়ে ছয়টায় ঈদের প্রধান জামাত এবং সকাল সাড়ে সাতটায় দ্বিতীয় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।


প্রথম জামাতে মুসল্লিতে পরিপূর্ণ ছিল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ। দ্বিতীয় জামাতে মুসল্লিদের উপস্থিতি ছিল একটু কম। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কমিটি ছিল স্বোচ্ছার ও আপোষহীন। গাংনী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি সভাপতি হাজী মহসিন আলী ও সাধারণ সম্পাদক হাজী এনমুল হক স্বাস্থ্যবিধি মেনে অবস্থান করতে মুসল্লিদের সকলের প্রতি আহবান জানান। শারিরীক দূরত্ব মেনে কাতারে দাঁড়ানো এবং ঈদগাহে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করেন তাঁরা।
নামাজ শুরুর আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশনা পাঠ করে তা নিশ্চিত করার আহবান জানান প্রথম জামাতের ঈমাম মাও. সাইফুল্লাহ।
এদিকে ঈদগাহে আগত মুসল্লিদের মাঝে বেশ সচেতনতা দেখা গেছে। বিশেষ করে বেশিরভাগ মানুষের মুখেই ছিল মাস্ক। আর যাদের মাস্ক ছিল না তাদেরকে ঈদগাহে প্রবেশ পথে মাস্ক দেয় কমিটির স্বেচ্ছাসেকরা। প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় হ্যান্ডস্যানিটাইজার স্প্রে করা হয়।
এছাড়াও গাংনী পৌরসভার মধ্যে শিশিরপাড়া, চৌগাছা ও বাঁশবাড়ীয়া গ্রামে ঈদগাহে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।